অরিত্র সোম



নববর্ষ ১৪২৫- ৪


যে রাতে কপালকুণ্ডলা
কলকাতায় এসেছিল




১

পার্ক সার্কাস ভেঙে, বেরোতে বেরোতে
মেয়েটি ফুটে উঠল--
             বংশীর ছানাটাকে, শেষবার
             জলার ধারে দেখেছিলাম

             আচ্ছা, ও কি এখনও সকালে
              গুড়-বিচালী খায়?...

ট্রাফিকের কালো আলো
আমাদের কথার মাঝে-- একটা একটা করে
                                দাঁড়ি বসিয়ে দিচ্ছে


২

অন্ধকারে স্যাঁধানো বাড়িটা থেকে
একটা বাবু-- টলতে টলতে, বেরিয়ে গেল।

মেয়েটা, খোলা আকাশ ধরে এখন, শুধু
বাড়িটার দিকে তাকাবে
আর একটা মেঘ, আস্তে আস্তে

চাঁদের দিকে সরে আসবে...


৩

সেই বিপ্রতীপ সময় থেকে
বাড়িটা,-- আবাসছাড়া

ধোঁয়া ওঠা, মোজাইক সন্ধে থেকে
আস্তে আস্তে ফিরে যাচ্ছে জাহাজ ;
ভোঁ উঠছে...

ইট পাঁজরা ভাঙতে ভাঙতে
অন্ধকার নেশা থেকে-- ছায়া এসে দাঁড়ায়

                    তবে, তুমিই কি...


৪

শাশ্বত থেকে জটিল হচ্ছে অবহেলা

রাত নামে। চাঁদ নামে।  মেয়েটি মুখোমুখি হয়
ল্যাম্পপোস্টে ঢাকা পড়েছে গল্প
বাড়িটা এবার, রাস্তা ছাড়াতে ছাড়াতে
আরও একটা আশ্রয় খুঁজে চলেছে 

              ' পথিক, তুমি কি পথ হারাইয়াছ?' 

মেয়েটি এল।
খানিক কেঁদে নিল।

তারপর শিশুর মত-- জানলা মেলে ধরল... 

এসো পৃথিবী, এবার আমাদের 
সেতার হওয়ার  সময়

মন্তব্যসমূহ

saptarshi chatterjee বলেছেন…
অভিনব ভাবনা। গল্পের মতই লাগলো।
Aritra Som বলেছেন…
অসংখ্য ধন্যবাদ সপ্তর্ষি দা। 😊😊

জনপ্রিয় লেখা